মেনু নির্বাচন করুন

ইউনুছ আলমাস স্কুল এন্ড কলেজ

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

ইউনুচ আলমাচ স্কুল এন্ড কলেজটি চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলা নোয়াজিষপুর ইউনিয়নের নদিমপুর গ্রামে অবস্থিত। বিদ্যালয়টিতে ২০টি কক্ষ রয়েছে। তার মধ্যে ১টি প্রধান শিক্ষকের রুম, ১টি সহকারী শিক্ষকবৃন্দের, ১টি চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের, ১টি পাঠাগার, ১টি ল্যাবরেটরি, ১টি ডাক্তার রুম, বাকী রুমগুলি শিক্ষার্থীদের জন্য। বিদ্যালয়টিতে পর্যাপ্ত পরিমান পানির ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও শিক্ষার্থীদের জন্য বসার সুব্যবস্থা রয়েছে। বিদ্যালয়টির চারপাশে সবুজের সমারোহ। ইতিমধ্যে কয়েকজন পরিদর্শক পরিদর্শনকালে স্কুলের পরিচ্ছন্নতা, ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি শিক্ষক ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের আচার-আচরণে সন্তোষ প্রকাশ করে গেছেন। এক কথায় সব মিলিয়ে বিদ্যালয়টিতে এক মনোরম পরিবেশ অবস্থিত। 

গ্রাম- নদিমপুর, ডাকঘর- নদিমপুর,  থানা রাউজান, জেলা চট্টগ্রাম, EIIN No- ১৩৪০৭২।

২০০৭

মরহুম ইউনুচ সাহেবের ছেলে জনাব আলহাজ্ব মোঃ জামাল উদ্দীন সাহেব নদিমপুর গ্রামের জনসাধারনের প্রস্তারের ভিত্তিতে ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারী তারিখে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্টা করার কার্যক্রম হাতে নেন। এই উপলক্ষে ৯৭জন লোকের সমন্ধয়ে একটি সাংগঠনিক কমিটির মাধ্যমে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্টা করেন। তার আর্থিক ও মানুষিক সহায়তার কারণে অত্র নদিমপুরে একটি আধুনিক বিদ্যালয় প্রতিষ্টা করা হয়। অত্র এলাকার গরীব দুখী মানুষের ছেলে মেয়েরা আর্থিক অনটনের কারনে পড়াশুনা করতে পারেনা। তিনি চেয়েছেন তারা যাতে করে পড়াশুনা করতে পারে এবং অত্র এলাকায় শিক্ষা বিস্তার সম্প্রসারন হয়। এই লক্ষে তিনি অত্র এলাকার বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন।

এছাড়া গ্রাম বাংলার মানুষের আনন্দ দেওয়ার জন্য প্রতি বছর যাতে অত্র এলাকায় আপামর সর্বস্তরের জনগন আনন্দ উপভোগ করতে পারে সেই লক্ষে তিনি প্রতিষ্টা করেছেন ‘‘বৈশাখী মেলা’’। প্রতি বছর বিদ্যালয় প্রঙ্গাগনে পহেলা বৈশাখী মেলা বসে। এতে সর্বস্তরের জনগন অংশগ্রহন করে দিনটিকে উপযোগী করে তোলে।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
জনাব মোঃ জাকির হোসেন 0 mdjakirhossain876@yahoo.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

ছাত্র -      ৭৭ জন,

ছাত্রী -    ১০১ জন,

মোট -    ১৭৮ জন।

শ্রেণীর নাম

ইসলাম ধর্ম

হিন্দু ধর্ম

বৌদ্ধ ধর্ম

মোট ছাত্র

মোট ছাত্রী

সর্ব মোট

 

ছাত্র

ছাত্রী

ছাত্র

ছাত্রী

ছাত্র

ছাত্রী

 

 

ছাত্র ছাত্রী

৬ষ্ঠ

১৪

৩৪

০০

০০

০৪

০১

১৮

৩৫

৫৩

৭ম

২৬

১৯

০০

০০

০৫

০০

৩১

১৯

৫০

৮ম

২৪

৫২

০২

০২

০২

০৩

২৮

৪৭

৭৫

মোট

৬৪

১০৫

০২

০২

১১

০৪

৭৭

১০১

১৭৮

৯১%

বর্তমান পরিচালনা পরিষদের সভাপতিঃ

          জনাব আলহাজ্ব মোঃ জামল উদ্দীন।

 

বর্তমান পরিচালনা পরিষদের তথ্যঃ

          পরিচালনা পরিষদের মেয়াদ শুরু - ২৪/০৬২০১১ সাল,

                                            শেষ - ২৩/০৬/২০১৩ সাল।

 

          ১। সভাপতি              ঃ      জনাব আলহাজ্ব মোঃ জামল উদ্দিন,

          ২। দাতা সদস্যঃ      জনাব আলহাজ্ব মোঃ রেজাউল করিম,

          ৩। শিক্ষানুরাগীঃ      জনাব এস.এম. মোরশেদ,

          ৪। অভিভাবক সদস্য    ঃ      জনাব মোঃ রহিম উদ্দীন,

          ৫। অভিভাবক সদস্য   ঃ      জনাব মোঃ শাহ আলম,

          ৬। অভিভাবক সদস্য   ঃ      জনাব মোঃ নুরালী,

          ৭। অভিভাবক সদস্য    ঃ      জনাব কল্যাণ বড়ুয়া,

          ৮। অভিভাবক সদস্য   ঃ      জনাবা মিসেস সাইফুন নাহার,

          ৯। অভিভাবক সদস্য   ঃ      জনাব মোঃ মোক্তার হোসেন,

          ১০। অভিভাবক সদস্য  ঃ      জনাবা মিসেস নায়ার সুলতানা,

          ১১। শিক্ষক প্রতিনিধি  ঃ      জনাব মোঃ জাকির হোসেন।

বিগত ৫ বছরের সমাপণী/জে.এস.সি পরীক্ষার ফলাফলঃ

         

সাল

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

পাশ

পাশের হার

২০১০

১০৫ জন

৪৯ জন

৪৭%

২০১১

৯১ জন

৫৬ জন

৬২%

২০১০ সালে ৩৯ জন বৃত্তিপায়।

          ২০১১ সালে ৩৯ জন বৃত্তিপায়।

বিদ্যালয়টি এতি মধ্যে মধ্যে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদানের অনুমতি পেয়েছে। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা হওয়ার দু-বছর পরই সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশের হার মোটামুটি সন্তোষজনক। এছাড়া পাঠদান স্বীকৃতি ২০১০ সালে পেয়েছে এবং ২০১২ সালে স্বীকৃতি অর্জন করবে বলে ধারনা করা যায়।

ভবিষ্যতে পাশের হার শতকরা নিশ্চিত করার প্রয়াস চালনা হচ্ছে।

স্বাভাবিক ভাবে সরকারী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। এড়াছা অভিভাবকদের সাথে শিক্ষক ও পরিচালনা পরিষদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা হয়। বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-কর্মচারী পায়ে হেঁটে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে।



Share with :

Facebook Twitter